ওয়ার্ডপ্রেস এত জনপ্রিয় হয়েছে এর সহজ কাস্টমাইজেশনের কারণে । এটি আপনার সাইটের চেহারা নিজের সুবিধা অনুযায়ী পরিবর্তন করার সুযোগ করে দিবে কোন প্রকার কোড করা ছাড়াই । দুইভাবে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন করতে পারেন । একটি হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজারের মাধ্যমে এবং অপরটি হচ্ছে চাইল্ড থিম ব্যবহার করার মাধ্যমে ।
ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট কাস্টমাইজিং
অনেকভাবেই আপনি চাইলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট কাস্টমাইজড করতে পারেন । যেমনঃ থিম পরিবর্তনের মাধ্যমে , প্লাগিন যুক্ত করার মাধ্যমে এমনকি দরকার পড়লে কোড ইডিট করার সাহায্যেও করতে পারেন ।
থিম পরিবর্তন
ওয়ার্ডপ্রেস সাইট কাস্টমাইজড করার জন্য একটি মাধ্যম হচ্ছে থিম চেঞ্জ করা । ওয়ার্ডপ্রেসে অজস্র থিম রয়েছে হোক সেটা ফ্রি কিংবা প্রিমিয়াম । আপনার পছন্দ অনুযায়ী মানানসই থিম পাবেন আর পছন্দ না হলে চাইলে নিজেই নিজের জন্য থিম বানিয়ে নিতে পারেন ।
প্লাগিন যুক্তকরণ
ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের কাস্টমাইজেশনের আরেকটি মাধ্যম হচ্ছে প্লাগিন যুক্ত করা । প্লাগিন আপনাকে নানাভাবে সাহায্য করবে যেমনঃ কোডে হাত না দিয়েও অসংখ্য দারুণ ফিচারস আপনি যুক্ত করতে পারবেন । আপনার পছন্দ অনুযায়ী এবং কাজের প্রয়োজনে অজস্র প্লাগিন রয়েছে যেটা ব্যবহার করে আপনার চাহিদা মেটাতে পারবেন ।
কোড পরিবর্তন
যদি আপনি একজন ডেভেলপার হয়ে থাকেন, তবে আপনি চাইলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইট কাস্টমাইজড করতে পারবেন কোড ইডিট করার মাধ্যমেও । ওয়ার্ডপ্রেস পিএইচপিতে লিখা তাই আপনি যদি জেনে থাকেন কিভাবে পিএইচপিতে কোড লিখতে হয় তাইলে আপনিও চাইলে কোড পরিবর্তন করতে পারবেন । যদিও এটি বিগিনার ফ্রেন্ডলি না এবং তাদের এটি করার জন্য রেকোমেন্ড করা ঠিক হবে না কেননা যদি আপনি কিছুই না জেনে থাকেন তাহলে খুব সহজেই সবকিছু ভেংগে ফেলতে পারেন ।
এগুলা তো সাধারণ কিছু উপায় মাত্র ওয়ার্ডপ্রেস সাইট কাস্টমাইজেশনের । এছাড়াও আরও অনেকভাবেই আপনি চাইলে কাস্টমাইজেশন করতে পারেন । সেগুলা আরও গভীরভাবে এক্সপ্লোর করতে হবে এবং এরপরই এই ফিল্ডে আসার ইচ্ছা পোষণ করা শ্রেয় হবে বলে ধারণা করে নেওয়া যায় ।
ওয়ার্ডপ্রেস সাইট কাস্টমাইজেশনে কিছু টিপস
যখন আপনি কোন সাইট কাস্টমাইজেশন করতেছেন তখন কিছু জিনিস আপনার মনে ও মগজে রাখা দরকার ।
- কোন পরিবর্তন করার আগেই আপনি সাইটের ব্যাকাপ নিয়ে রাখুন । এই কারণে যে, কোন কারণে যদি কোন কিছু ভুল হয়ে যায় তবে যাতে আপনি খুব সহজেই পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে পারেন ।
- অধিক সর্তক থাকা যখন কোড এর কোন কিছু পরিবর্তন করতেছেন । যখন আপনি বুঝতেছেন না যে আপনি আসলে কি করতেছেন তখন একজন অভিজ্ঞ ডেভেলপারের শরাণাপন্ন হওয়াটাই শ্রেয় বলে ধরে নেওয়া যায় ।
- কোন সাইট লাইভ করার পূর্বে পরিবর্তনগুলো আগে টেস্ট করে নিবেন । এইভাবে আপনি শিউর হয়ে নিতে পারবেন যে, আপনার কাজটি সঠিকভাবে কাজ করতেছে ।
তো ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশনের পরবর্তী ধাপ কি?
এখন যেহেতু আপনি ওয়ার্ডপ্রেস সাইট কাস্টমাইজেশনের বেসিক জেনে গেছেন, এখন সময় এসেছে আরও এডভান্সড কিছু জানার । অজস্র থিম এবং প্লাগিন রয়েছে ওয়ার্ডপ্রেসে , যা সম্ভাবনা সীমাহীন ।
আরও জানুনঃ ডোমেইন ট্রান্সফার – 4 Simple Steps to Transfer Your Domain To Hostever
আসুন জেনে নিই কিছু আইডিয়াঃ
- কাস্টম চাইল্ড থিম তৈরি করা যেতে পারে ।
- এডভান্সড কাস্টম ফিল্ডস প্রো এর মতো শক্তিশালী প্লাগিন ইন্সটল করে তা কনফিগার করে দেখা যেতে পারে ।
- সিএসএসের প্রিপ্রসেসর যেমন সাস বা লেস শিখে কাজের গতিধারাকে বৃদ্ধি করা যেতে পারে ।
- বিভিন্ন ধরনের পেজ বিল্ডার বা টুল দিয়ে নানা রকম জটিল লেআউট তৈরি করা যেতে পারে ।
- কিভাবে একশন এবং ফিল্টার হুক নিয়ে সেগুলার চিরায়িত বৈশিষ্ট্য থেকে এগুলাকে বের করে এনে কিভাবে কাজ করা যায় তা বোঝা যেতে পারে ।
এগুলা তো মাত্র স্বল্প কিছু ধারণা শেয়ার করলাম । যেহেতু দেখা যাচ্ছে, সম্ভাবনা এখানে সীমাহীন যখন ওয়ার্ডপ্রেস সাইট কাস্টমাইজেশনের কথা আসে । তো আর কিসের অপেক্ষা করতেছেন? আজই শুরু করুন এবং দেখুন আপনি কি তৈরি করতে পারেন ।